বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত র্যালিতে সাবেক ছাত্রনেতা তৈমুর রেজা হৃদয়ের নেতৃত্বে নজরকাড়া শোডাউন দেখা গেছে। নতুনবাজার দলীয় কার্যালয় থেকে বের হওয়া বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় হাজারো নেতাকর্মী দলীয় ও জাতীয় পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করেন। পুরো র্যালিতে ছিলেন ঢোল-সাউন্ডের তালে শ্লোগান, আর হৃদয়ের নেতৃত্বে উপস্থিতি ছিল সবচেয়ে দৃষ্টি আকর্ষণীয়।
হৃদয় ছাত্রদল রাজনীতি থেকে উঠে আসা বিএনপির কর্মী। পরিবারগত ভাবেও তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সক্রিয়, এবং ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন। মালয়েশিয়ার লিমকোকউং ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ সম্পন্ন করে তিনি সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বের যোগ্যতা প্রমাণ করে দলের ভরসার জায়গা তৈরি করেন।
রাজপথের আন্দোলনে সামনের সারিতে থাকা, মামলা-কারাবরণসহ কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে থেকেও দলের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় তাকে ‘রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক’ হিসেবে জানেন দলীয় নেতাকর্মীরা। শুধু দলীয় আন্দোলন নয়— করোনাকাল, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিভিন্ন উৎসবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমেও পরিচিতি পেয়েছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন, হৃদয় ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য অন্যতম উপযুক্ত ব্যক্তি। তাদের দাবি— এমন ত্যাগী, জনপ্রিয় ও সংগঠক নেতাকে সামনে আনলে যুবদল আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হবে।
নিজের রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে তৈমুর রেজা হৃদয় বলেন—
“আমি রাজনীতি করি দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য। দলকে সুসংগঠিত করা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে রাজপথে আমরা সবসময় আছি, থাকব। আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ চালিয়ে যাব।”
সব মিলিয়ে, দলীয় ত্যাগ-সাহস, মাঠের নেতৃত্ব ও মানবিক অবস্থান— তিনটি গুণের সমন্বয়ে তৈমুর রেজা হৃদয় বর্তমানে ময়মনসিংহের যুবদল রাজনীতিতে আলোচিত ও গ্রহণযোগ্য নাম হয়ে উঠেছেন।




