ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের পৃথক মামলায় পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে সিপিএসসি, এসআরবি-১৪, ময়মনসিংহের একটি আভিযানিক দল।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে পাগলা থানার ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ইমান আলী (৫০) এবং শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নান্দাইলের চন্ডিপাশা এলাকা থেকে গণধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামি জাহাঙ্গীর (৩০) গ্রেপ্তার হন।
এসআরবি-১৪ সূত্রে জানা যায়, পাগলা থানার মামলার ভুক্তভোগী ১১ বছর বয়সী এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশু। মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটির বাবা-মা চিকিৎসকের কাছে গেলে ইমান আলী কৌশলে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ১৬ সেপ্টেম্বর পাগলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা করেন। মামলার পর এসআরবি-১৪ গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটের দিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে এসআরবি-১১, সিপিএসসি, আদমজীনগর ক্যাম্পের সদস্যরা সহায়তা করেন।
অন্যদিকে, নান্দাইল থানার গণধর্ষণ মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২৮ আগস্ট সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী তার নানার বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে কাজিম উদ্দিন তাকে কৌশলে ডেকে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে জাহাঙ্গীরসহ অন্য আসামিরা তাকে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর নান্দাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩) ধারায় মামলা করেন। মামলার পর গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে শুক্রবার সকাল ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে নান্দাইলের চন্ডিপাশা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-১৪।
সংস্থাটি জানিয়েছে, নারী ও শিশুর নিরাপত্তা এবং অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

