ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আত্মউন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে কাজ করছে স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতি। এরই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পাঁচটি এলাকায় ‘সাসটেইনেবল সোশিও ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (এসডিপি)’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রকল্পটির অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, শুধু মানুষকে সচেতন করলেই হবে না, তাদের আত্মউন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগও তৈরি করতে হবে। এনজিওগুলো সচেতনতার পাশাপাশি মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার পথ তৈরি করলে এর সুফল দীর্ঘমেয়াদে সমাজে পাওয়া যাবে।
এসডিপি প্রকল্পের আওতায় ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বিহারি ক্যাম্প, দুল দুল ক্যাম্প, হরিজন পল্লী, বাঁশবাড়ি কলোনি ও কালীবাড়ি কলোনিতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
প্রকল্পের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবা ও সুযোগের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীকে নিজেদের উন্নয়নে আরও সক্রিয় ও স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।
সভায় স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির সহকারী কর্মসূচি পরিচালক খালেদ এহতেশাম স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও অংশীজনদের সহযোগিতা এবং সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

এসডিপি প্রকল্পের মনিটরিং ও ডকুমেন্টেশন কর্মকর্তা শাইরা নওশিন প্রান্তি প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়ে উপস্থাপনা করেন। প্রজেক্ট ম্যানেজার ইমন সরকার প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন।
সভায় উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুবি খান, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শরীফ আহম্মদ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, সরকারি দপ্তর, গণমাধ্যম ও জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বয় এবং কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
‘সাসটেইনেবল সোশিও ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (এসডিপি)’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতি। প্রকল্পটির দাতা সংস্থা সুইডেন মিশন কাউন্সিল ও কোয়েকার সার্ভিস সুইডেন।

