নৌপরিবহন অধিদপ্তরের কার্যক্রম আধুনিক ও যুগোপযোগী: উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন

0
211

নৌপরিবহন অধিদপ্তরের কার্যক্রমকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।

মঙ্গলবার সকালে ঢাকার আগারগাঁওয়ে নৌপরিবহন অধিদপ্তর বাস্তবায়িত ‘এস্টাব্লিশমেন্ট অব গ্লোবাল মেরিটাইম ডিসট্রেস অ্যান্ড সেফটি সিস্টেম অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটেড মেরিটাইম নেভিগেশন সিস্টেম (ইজিআইএমএনএস)’ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত জয়েন্ট মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (জেএমআরসিসি) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি প্রকল্পের আওতায় দেশের সাতটি উপকূলীয় এলাকায় স্থাপিত সাতটি কোস্টাল রেডিও স্টেশন ও সাতটি লাইটহাউসের উদ্বোধন করেন। স্টেশন ও লাইটহাউসগুলো স্থাপন করা হয়েছে কক্সবাজার, সেন্ট মার্টিন, কুতুবদিয়া, চর কুকরি-মুকরি, নিঝুম দ্বীপ, দুবলার চর ও কুয়াকাটায়। বাংলাদেশ সরকার ও কোরিয়ান ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ডের (ইডিসিএফ) যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে।

উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ইজিআইএমএনএস প্রকল্প বাংলাদেশের নৌ-নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকায় দুর্যোগে পড়া জাহাজ ও নাবিকদের দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রমে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সামুদ্রিক উদ্ধার সক্ষমতা অর্জন করেছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থা (আইএমও)-এর সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ কনভেনশনের বাধ্যবাধকতা পূরণে সক্ষমতা বাড়বে, যা দেশের বৈশ্বিক ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে সমুদ্র উপকূলে বিপদগ্রস্ত যেকোনো জাহাজ ও নাবিককে দ্রুত শনাক্ত ও উদ্ধার করা সম্ভব হবে, যা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সামুদ্রিক সাফল্য। তিনি প্রকল্পে অর্থায়ন ও সহযোগিতার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারী, প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল বাসারসহ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন এবং কোরিয়া এক্সিম ব্যাংকের প্রতিনিধি দলও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্পের আওতায় গড়ে ওঠা এই অবকাঠামো নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক কনভেনশন বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here